শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:৩০, ১৭ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ১০:৩০, ১৭ জুলাই ২০২৬
ইতিহাসের সামনে ভারত। জিন্দ ও সোনিপতের মধ্যে ভারতের প্রথম দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেনের উদ্বোধন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।হরিয়ানার জিন্দ-সোনিপত রুটে চলবে এই অত্যাধুনিক ট্রেন। প্রায় ৯০ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করতে সময় লাগবে প্রায় দু’ঘণ্টা। ১০টি বগি নিয়ে তৈরি এই ট্রেনটি পথে ১১টি স্টেশনে থামবে। যাত্রীদের জন্য ট্রেনে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় দরজা, ডিসি এয়ার কন্ডিশনিং, আরামদায়ক আসন-সহ একাধিক আধুনিক সুবিধা।কী কী রয়েছে এই ট্রেনে?
শূন্য কার্বন নির্গমন: ট্রেনটিতে উন্নত হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা হাইড্রোজেনকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে ট্রেনটিকে গতিশীল রাখে এবং উপজাত (by-product) হিসেবে কেবল জলীয় বাষ্প তৈরি করায় এতে কোনো কার্বন নির্গমন হয় না।
দেশীয় প্রযুক্তির সাফল্য:
সম্পূর্ণ ভারতে ডিজাইন ও তৈরি করা এই ট্রেনটির মাধ্যমে রেল ইঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্রে দেশের আত্মনির্ভরতা ও অগ্রগতির প্রকাশ ঘটেছে।
বিশ্বমঞ্চে ভারত: এই উদ্বোধনের ফলে ভারত বিশ্বের সেই বাছাই করা উন্নত দেশগুলির এলিট ক্লাবে যোগ দিতে চলেছে, যাদের নিজস্ব হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন পরিষেবা রয়েছে।
অধিক শক্তিশালী ও দীর্ঘ: ট্রেনটিতে একটি শক্তিশালী ৩,২০০ হর্সপাওয়ারের প্রপালশন সিস্টেম রয়েছে এবং এর ১০ কোচের কনফিগারেশন এটিকে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘতম হাইড্রোজেন যাত্রীবাহী ট্রেনে পরিণত করেছে।
পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী: এটি প্রচলিত ডিজেল ট্রেনের মতো বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ করে না এবং প্রথাগত বৈদ্যুতিক ট্রেনের মতো ওভারহেড তারের পরিকাঠামো ছাড়াই অন-বোর্ড বিদ্যুৎ তৈরি করে চলতে সক্ষম।
গতিবেগ: ট্রেনটিতে ২৪০০ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ফুয়েল সেল প্রপালশন সিস্টেম রয়েছে। এটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলতে সক্ষম, তবে বাণিজ্যিক চলাচলে এর গতিসীমা ঘণ্টায় ৭৫ কিলোমিটার রাখা হয়েছে।
হয়েছে।
ধারণক্ষমতা: মোট ১০টি কোচে প্রায় ২,৬০০ জন যাত্রী ভ্রমণ করতে পারবেন।পরিবেশগত সুবিধা: প্রচলিত ডিজেল ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনে কার্বন নির্গমন সম্পূর্ণ শূন্য।
নিরাপত্তা: হাইড্রোজেন অত্যন্ত দাহ্য হওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টিকেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গ্যাসটি বিশেষ উচ্চচাপযুক্ত ট্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা হবে এবং ট্রেনের জন্য আলাদা রিফুয়েলিং স্টেশনও তৈরি করা হয়েছে।