শিরোনাম
হোসাইন রাজিব, লালমনিরহাট
প্রকাশ: ০২:৪৩, ৩০ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ে (কর্মচারী) কল্যাণ ট্রাস্ট নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট বিভাগে গ-গ্রুপের শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচন-এ গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী মো: শামসুদ্দীন বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
সোমবার (২৯ জুন) লালমনিরহাট বিভাগে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, মো: শামসুদ্দীন (গোলাপ ফুল প্রতীক) পেয়েছেন ৩৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চশমা প্রতীকের প্রার্থী মো: মুজাহিদুল ইসলাম পেয়েছেন ৫৮ ভোট। ফলে ২৮২ ভোটের বিশাল ব্যবধানে বিজয় অর্জন করে তিনি গ গ্রুপের শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।
কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফলে লালমনিরহাট কেন্দ্রে মো: শামসুদ্দীন পান ১৪৯ ভোট এবং মো: মুজাহিদুল ইসলাম পান ২৩ ভোট। হাতীবান্ধা কেন্দ্রে যথাক্রমে ০ ও ১, কুড়িগ্রাম কেন্দ্রে ৫ ও ০, রংপুর কেন্দ্রে ৪ ও ০, বামনডাঙ্গা কেন্দ্রে ১ ও ০, গাইবান্ধা কেন্দ্রে ৪ ও ০, বোনারপাড়া কেন্দ্রে ৪০ ও ১, বগুড়া কেন্দ্রে ৩৭ ও ৪, সান্তাহার কেন্দ্রে ৩০ ও ৫, পার্বতীপুর কেন্দ্রে ৫৪ ও ১৭, দিনাজপুর কেন্দ্রে ৭০ ও ৫ এবং ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রে যথাক্রমে ১৬ ও ২ ভোট লাভ করেন।
ফলাফল ঘোষণার পরপরই মো: শামসুদ্দীনের সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্টেশন থেকে আগত রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা নবনির্বাচিত প্রতিনিধিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সমর্থকরা এই বিজয়কে গ গ্রুপের শ্রমিকদের আস্থা, বিশ্বাস ও প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিজয়ী মো: শামসুদ্দীন বলেন, "আমার প্রতি আস্থা রেখে যারা তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছেন, তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই। এই বিজয় শুধু আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি গ গ্রুপের সকল শ্রমিকের বিজয়। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, কল্যাণ নিশ্চিতকরণ, কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং তাদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাব। ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নয়, শ্রমিকদের স্বার্থই হবে আমার একমাত্র অঙ্গীকার।"
নির্বাচনের এই ফলাফলকে কেন্দ্র করে লালমনিরহাট বিভাগজুড়ে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নবনির্বাচিত শ্রমিক প্রতিনিধি মো: শামসুদ্দীনের নেতৃত্বে গ গ্রুপের শ্রমিকদের কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা।