ঢাকা, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

তিন বছরে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও ঝারিয়া লোকাল ট্রেন বেসরকারি খাতে চালাতে চায় রেল, দরপত্রের আহ্বান

রেল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩:০৪, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:০৪, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিন বছরে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও ঝারিয়া লোকাল ট্রেন বেসরকারি খাতে চালাতে চায় রেল, দরপত্রের আহ্বান

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা-ভৈরববাজার ও ময়মনসিংহ-ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল রুটে চলাচলকারী তিন ধরনের কমিউটার ও লোকাল ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম (ভাড়া আদায়) বেসরকারি খাতে দিতে দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ রেলওয়ের চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (পূর্ব) কার্যালয় থেকে এ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে তিনটি প্যাকেজ রাখা হয়েছে।

প্যাকেজ-১: ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা রুটের ১-১৬ নম্বর ‘নারায়ণগঞ্জ কমিউটার’-এর ৮ জোড়া ট্রেন।

প্যাকেজ-২: ঢাকা-ভৈরববাজার-ঢাকা রুটের ১ ও ৪ নম্বর ‘নরসিংদী কমিউটার’-এর ১ জোড়া ট্রেন।

প্যাকেজ-৩: ময়মনসিংহ-ঝারিয়া ঝাঞ্জাইল-ময়মনসিংহ রুটের ৩৭১-৩৭৮ নম্বর ‘ঝারিয়া লোকাল’-এর ৪ জোড়া ট্রেন।

দরপত্রে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব লোকবল নিয়োগ করে টিকিট প্রিন্টিং, টিকিট সরবরাহ, টিকিট বিক্রয় ও যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া আদায়ের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

প্রকৃত কোচ চলাচলের ভিত্তিতে প্রতি একক কোচ ট্রিপের জন্য দরপত্রে উদ্ধৃত ও গৃহীত হারে বাংলাদেশ রেলওয়েকে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

দরপত্রে অংশ নিতে হলে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট নিবন্ধন সনদ, টিআইএন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর পরিশোধের সনদ থাকতে হবে। পাশাপাশি দরপত্র দলিলে চাওয়া অন্যান্য তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

২০০৫ সালের ৯ আগস্টের পর বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নির্ধারিত মেয়াদে ট্রেনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান স্বনামে বা বেনামে এ দরপত্রে অংশ নিতে পারবে না। সরকারি নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানও অযোগ্য বিবেচিত হবে। একক বা যৌথভাবে দরপত্রে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

প্রতিটি প্যাকেজের দরপত্র দলিলের মূল্য ৫ হাজার টাকা, যা অফেরতযোগ্য। এ-চালানের মাধ্যমে নির্ধারিত কোডে অর্থ জমা দিয়ে দরপত্র দলিল সংগ্রহ করা যাবে।

দরপত্র দাখিলের সময় প্রতিটি প্যাকেজের জন্য উদ্ধৃত দরের ১ শতাংশ অর্থ আর্নেস্ট মানি বা দরপত্র জামানত হিসেবে পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। চুক্তির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ বছর।

দরপত্র বিক্রয়ের সময়সীমা ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত। দরপত্র দাখিল করা যাবে ৬ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। একই দিন দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে প্যাকেজগুলো পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে।

দরপত্র দলিল বিক্রয় ও গ্রহণের জন্য চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (পূর্ব), বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ঢাকা), বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (চট্টগ্রাম) এবং উপপরিচালক (টিসি), বাংলাদেশ রেলওয়ের কার্যালয় নির্ধারণ করা হয়েছে।

চীফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (পূর্ব) সুজিত কুমার বিশ্বাস স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চুক্তি স্বাক্ষরের আগে যেকোনো পর্যায়ে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই যেকোনো দরপত্র গ্রহণ বা বাতিল এবং সব দরপত্র আংশিক বা সম্পূর্ণ স্থগিত বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন