শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০০:০২, ১৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০০:০২, ১৯ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগ (বিআরইএল) রাজশাহী অঞ্চল কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করা, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, শ্রমিকদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আদর্শিক কর্মী গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ শিক্ষা বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ লীগ (বিআরইএল) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. আক্তারুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মো. রেনায়েল আলম।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও আদর্শিক ট্রেড ইউনিয়ন গড়ে তুলতে নিয়মিত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই। তিনি শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সংগঠনের ঐক্য, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিশেষ অতিথি মো. রেনায়েল আলম বলেন, একজন দক্ষ, সচেতন ও আদর্শবান কর্মীই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি। তিনি সংগঠনের গঠনতন্ত্র, শ্রম আইন, ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রম, শ্রমিকদের অধিকার ও কর্তব্য এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি কর্মস্থলে সততা, পেশাদারিত্ব ও সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে সংগঠনের সুনাম বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী শিক্ষা বৈঠকে ট্রেড ইউনিয়নের ইতিহাস, সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, নেতৃত্বের গুণাবলি, সদস্য সংগ্রহ, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার কৌশল, শ্রম আইন, শ্রমিক কল্যাণ, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও শৃঙ্খলা বজায় রাখাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা তাঁদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। অতিথিবৃন্দ এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
বৈঠকে রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন শাখা ও ইউনিট থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উপস্থিত নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও শ্রমিকবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের সার্বিক উন্নয়ন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।