ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

যাত্রীবাহী ট্রেন না চললেও বাংলাদেশ-ভারত ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন চালু রয়েছে: সংসদে রেলমন্ত্রী

রেল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০:১৬, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২০:১৬, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যাত্রীবাহী ট্রেন না চললেও বাংলাদেশ-ভারত ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন চালু রয়েছে: সংসদে রেলমন্ত্রী

বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল না করলেও প্রায় ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। আজ (বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম। প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহাম্মেদ প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে কোনো ট্রেন চলাচল করছে কি না, করলে তার সংখ্যা কত এবং নতুন ট্রেন চালু করা হবে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে মালবাহী ট্রেন চলাচল করছে। রহনপুর, দর্শনা, বেনাপোল ইন্টারচেঞ্জ স্টেশন দিয়ে পণ্যবাহী ভারতীয় গুডস ট্রেন গ্রহণ ও খালি রেক প্রেরণ করা হচ্ছে। প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৩টি পণ্যবাহী ট্রেন গ্রহণ ও ৪২টি খালি রেক প্রেরণ করা হচ্ছে। বর্তমানে কোনো যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করছে না। যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এছাড়া, রাজশাহী-কলকাতা-রাজশাহী রুটে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন পরিচালনার বিষয়টি পরীক্ষা নিরীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদের এক প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে মিটারগেজ ইঞ্জিন এবং কোয়ে স্বল্পতা রয়েছে। ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত সংখ্যক মিটারগেজ ইঞ্জিন ও কোচ প্রাপ্তিসাপেক্ষে ঢাকা-কুড়িগ্রাম-ঢাক রুটে মধ্যমেয়াদে এক জোড়া এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও এক জোড়াসহ মোট ২ (দুই) জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনের রেল স্টেশনসমূহ বিভিন্ন সময়ে আধুনিকাল করা হয়েছে। জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী সেকশনের স্টেশনসমূহ জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী সেকশনে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ (প্রকৌশল সেবা) সংক্রান্ত কারিগরী সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যে আধুনিকায়ন করা হবে। বগুড়া হতে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে মাধ্যমে সফাদারপুর, বগুড়া, কাহালু স্টেশন তিনটি রিমডেলিংসহ নতুন আরও ৮টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। তাছাড়া বগুড়া হতে কুড়িগ্রাম পর্যন্ত বিদ্যমান রেল স্টেশনসমূহ বাজেট প্রাপ্তিসাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে আধুনিকায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন