ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাণিজ্যে নতুন মাইল ফলক, ভারত-নেপালের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেনের সূচনা

প্রকাশ: ০৭:৪৩, ২৮ জুলাই ২০২৬

বাণিজ্যে নতুন মাইল ফলক, ভারত-নেপালের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেনের সূচনা

ভারত-নেপাল রেল যোগাযোগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

ভারত ও প্রতিবেশী দেশ নেপালের মধ্যে সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হলো। তবে এই যাত্রার সূচনা হয়েছে পণ্যবাহী ট্রেন দিয়ে।

যাত্রার সূচনা

নেপালের উদ্দেশ্যে প্রথম সরাসরি কন্টেইনারবাহী মালবাহী ট্রেনের সূচনা করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে।  ৪০টি ওয়াগনযুক্ত প্রথম সরাসরি বাণিজ্যিক কন্টেনার পণ্যবাহী ট্রেন কলকাতা পোর্ট থেকে নেপালের বিরাটনগর কাস্টমস ইয়ার্ড পর্যন্ত যাত্রা করেছে। সেখানে সফলভাবে পৌঁছেছে ওই ট্রেন।

নতুন দিগন্ত

সোমবার, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কপিঞ্জল কিশোর শর্মা জানিয়েছেন, এই ঐতিহাসিক যাত্রার মধ্য দিয়ে  ভারত-নেপাল রেল ট্রানজিট প্রোটোকল বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে আন্তঃসীমান্ত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কম খরচে বাড়বে বাণিজ্

রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এর ফলে সীমান্তে পণ্য অন্য যানবাহনে ট্রান্সশিপমেন্ট ছাড়াই কলকাতা বন্দর থেকে বিরাটনগর পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ পণ্য সরাসরি রেলপথে পরিবহন করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাণিজ্য দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহণের সময়, লজিস্টিকস খরচ এবং কার্গো হ্যান্ডলিং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কারণে নেপাল এবং ভারতের মধ্যে বাণিজ্য আরও দ্রুত এবং কার্যকর বলেও আশা তাঁদের।

ব্রড-গেজ রেল সংযোগ

প্রসঙ্গত, ২০২৩-এর জুন মাসে ভারতের যোগবাণী এবং নেপালের বিরাটনগর-এর মধ্যে ব্রড-গেজ রেল সংযোগের এর উদ্বোধন হয়েছিল। সেই সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যৌথ ভাবে এই রেল সংযোগের উদ্বোধন করেছিলেন। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে সংশোধিত লেটার অফ এক্সচেঞ্জ-এ স্বাক্ষরের পরে এ বার নেপালের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক রেল পরিবহণ বাস্তবে পরিণত হয়েছে।

এই পদক্ষেপ করার ফলে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, লজিস্টিকস পরিবহণ ব্যবস্থার দক্ষতা উন্নততর এবং আধুনিক রেল পরিকাঠামোর মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার ভারতের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

 

এক নজরে:

  • ভারত-নেপালের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেনের সূচনা

  • ৪০টি ওয়াগনযুক্ত কন্টেনার গিয়েছে কলকাতা বন্দর থেকে

  • নেপালের বিরাটনগর কাস্টমস ইয়ার্ড পর্যন্ত যাত্রা করেছে ওই ট্রেন

  • দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির আশা

  • কম খরচে ও সময়ে পণ্য পরিবহণ করা যাবে

ভারত ও নেপালের মধ্য কী হয়েছে?

ভারত ও প্রতিবেশী দেশ নেপালের মধ্যে সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। এই যাত্রার সূচনা হয়েছে পণ্যবাহী ট্রেন দিয়ে।

এর ফলে কী সুবিধা হবে?

এর ফলে আন্তঃসীমান্ত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা।

পরিবহণ খরচ কি কমবে?

এর ফলে সীমান্তে পণ্য অন্য যানবাহনে ট্রান্সশিপমেন্ট ছাড়াই কলকাতা বন্দর থেকে বিরাটনগর পর্যন্ত বিপুল পরিমাণ পণ্য সরাসরি রেলপথে পরিবহন করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বাণিজ্য দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহণের সময়, লজিস্টিকস খরচ এবং কার্গো হ্যান্ডলিং উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে

কবে এই রেলপথের সূচনা হয়?

২০২৩-এর জুন মাসে ভারতের যোগবাণী এবং নেপালের বিরাটনগর-এর মধ্যে ব্রড-গেজ রেল সংযোগের এর উদ্বোধন হয়েছিল। সেই সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী যৌথ ভাবে রেল সংযোগের উদ্বোধন করেছিলেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন