শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৬:৫৭, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৫৭, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও রেল অপারেশন আরও কার্যকর করতে পদোন্নতি, জনবল নিয়োগ এবং নিয়োগ বিধিমালার জটিলতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রেলওয়ে থেকে বিপুলসংখ্যক জনবল অন্যত্র চলে যাওয়ার প্রবণতা ঠেকাতে নিয়োগ বিধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও রেল অপারেশন’ বিষয়ে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এমপি। সভাপতিত্ব করেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম।
সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের জনবল ব্যবস্থাপনা, পদোন্নতি, নিয়োগ বিধিমালা এবং রেল অপারেশনের সার্বিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচ্যসূচিতে ছিল বিসিএস রিক্রুটমেন্ট রুলস, ১৯৮১ এবং বিসিএস কম্পোজিশন অব ক্যাডার রুলস, ১৯৮০ সংশোধন, বাংলাদেশ রেলওয়ের ক্যাডারবহির্ভূত গেজেটেড ও নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন, ১১টি বিভাগের কর্মচারীদের পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়ন এবং শূন্য পদে পর্যায়ক্রমে জনবল নিয়োগ।
এ ছাড়া লোকোমোটিভ ব্যবস্থাপনা, ট্রেনের সময়ানুবর্তিতা, ট্রেনের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ রেলওয়ের অপারেশনাল কার্যক্রম নিয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ১২ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীদের পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়ন করে দুই মাসের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। এ কার্যক্রমের অগ্রগতি আগামী নভেম্বর মাসের সভায় উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।
নিয়োগ বিধিমালার বিভিন্ন জটিলতা নিরসনে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ খসড়া প্রণয়ন করে দুই মাসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।
সভায় রেলওয়ে থেকে বিপুলসংখ্যক জনবল অন্য সেক্টরে চলে যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। রেলওয়ের দক্ষ জনবল ধরে রাখতে নিয়োগ বিধিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ১৮ ও ২০তম গ্রেডের পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২০ বছরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে সুপারিশ প্রেরণের বিষয়টিও সভায় উত্থাপন করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে রেলওয়ের দীর্ঘদিনের জনবল ব্যবস্থাপনা, পদোন্নতি ও নিয়োগসংক্রান্ত জটিলতা কমানোর পাশাপাশি রেল অপারেশনে দক্ষতা ও সেবার মান বাড়াতে সহায়ক হবে।