শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩:০১, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৩:০২, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রেলওয়ে উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার পাশাপাশি উপযুক্ত অবকাঠামো প্রকল্পে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।ডআধুনিকায়ন কর্মসূচির আওতায় নতুন লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ ও পণ্যবাহী ওয়াগন সংগ্রহের পাশাপাশি রেলসেতু নির্মাণ ও পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশে কোচ ও লোকোমোটিভের সংযোজন বা নির্মাণ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে আমদানি করা রেলযানের ওপর নির্ভরতা কমতে পারে।
এছাড়া, ট্রেন পরিচালনার নির্ভরযোগ্যতা এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মান উন্নয়নে আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা ও অপটিক্যাল ফাইবারভিত্তিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
রেলওয়ে উন্নয়নে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করার পাশাপাশি উপযুক্ত অবকাঠামো প্রকল্পে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে।ডআধুনিকায়ন কর্মসূচির আওতায় নতুন লোকোমোটিভ, যাত্রীবাহী কোচ ও পণ্যবাহী ওয়াগন সংগ্রহের পাশাপাশি রেলসেতু নির্মাণ ও পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সৈয়দপুর ও পাহাড়তলী রেলওয়ে ওয়ার্কশপের সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশে কোচ ও লোকোমোটিভের সংযোজন বা নির্মাণ বাড়ানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে আমদানি করা রেলযানের ওপর নির্ভরতা কমতে পারে।
এছাড়া, ট্রেন পরিচালনার নির্ভরযোগ্যতা এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের মান উন্নয়নে আধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা ও অপটিক্যাল ফাইবারভিত্তিক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদে দেশের সব জেলা ও গুরুত্বপূর্ণ শহরকে ধীরে ধীরে রেল যোগাযোগের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। একই সঙ্গে বন্দর, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে রেল সংযোগ আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মাস্টারপ্ল্যানেও নতুন রেলপথ নির্মাণ ও বিদ্যমান করিডোর উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের বন্দর ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক রেল যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জন্য নয় হাজার ৯৪০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে চলতি অর্থবছরের কর্মসূচিতে রেলওয়ে উন্নয়নের গুরুত্বের বিষয়টি প্রতিফলিত হয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, এসব পরিকল্পনার মাধ্যমে অবকাঠামো সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন, দ্রুততর যাত্রীসেবা এবং পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধির সমন্বয়ে একটি আরও সমন্বিত রেলওয়ে ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় ২২১ কোটি টাকা বেড়েছে। তবে আয় কিছুটা বাড়লেও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন ব্যয় এখনও আয়ের তুলনায় অনেক বেশি।
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি দুই হাজার ৬৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আয় করেছে। আগের অর্থবছরে আয় ছিল এক হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
অন্যদিকে, বেতন-ভাতা, পেনশন এবং রেলপথ ও রোলিং স্টকের রক্ষণাবেক্ষণসহ মোট পরিচালন ব্যয় হয়েছে তিন হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা।
এর ফলে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রেলওয়ের ব্যয়-আয় অনুপাত দাঁড়িয়েছে এক দশমিক ৯১। আগের অর্থবছর ২০২৪-২৫-এ এই অনুপাত ছিল দুই দশমিক ০৯।
অর্থাৎ আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান কিছুটা কমলেও বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালন ব্যয় এখনও আয়ের তুলনায় বেশি।