ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬

২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

৮৬৩ খালাসী নিয়োগে ‘গুপ্ত অভিযোগ’ নিয়ে ক্ষুব্ধ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি ’

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১২:০৯, ৯ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৭, ৯ আগস্ট ২০২৬

৮৬৩ খালাসী নিয়োগে ‘গুপ্ত অভিযোগ’ নিয়ে ক্ষুব্ধ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি  ’

বাংলাদেশ রেলওয়ের ৮৬৩ খালাসী নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগের বিষয়ে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলাধারা ডটকমে প্রকাশিত সংবাদ ও সংশ্লিষ্ট ফটোকার্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেছেন, অভিযোগের উৎস, অভিযোগকারীর পরিচয় এবং তথ্য যাচাইয়ের বিষয়ে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা নিশ্চিত না করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাম, পদবি ও ছবি ব্যবহার করে সংবাদ ও ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ব্যক্তিগত, পেশাগত ও সাংগঠনিকভাবে সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

৮ আগস্ট ২০২৬ বাংলাধারা ডটকমে “রেলের ৮৬৩ খালাসী নিয়োগে ডিজিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঘোষক দেলোয়ার হোসেন বাপ্পি এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে (পূর্বাঞ্চল)-এর আইন কর্মকর্তা মো. আল মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়।

একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি ও পরিচয় এবং দুদকের লোগো ব্যবহার করে একটি ফটোকার্ড/নিউজ গ্রাফিক্স সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হয়।

‘অভিযোগকারীর পরিচয় কোথায়?’ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রকাশিত অভিযোগপত্রের দৃশ্যমান অংশে অভিযোগকারীর পূর্ণ নাম, পূর্ণ ঠিকানা, মোবাইল নম্বরসহ নির্ভরযোগ্য যোগাযোগের তথ্য স্পষ্টভাবে পাওয়া যাচ্ছে না।

তার প্রশ্ন, অভিযোগকারীর পূর্ণ পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্য প্রকাশিত নথিতে না থাকলে সংবাদমাধ্যম অভিযোগটির উৎস কীভাবে যাচাই করেছে এবং অভিযোগকারীর সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করেছে?

তিনি আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতি ও নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের আগে অভিযোগের উৎস যাচাই, অভিযোগকারীর পরিচয় নিশ্চিত করা, নথির সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

‘অভিযোগ মানেই অপরাধ প্রমাণিত নয়’ মনিরুজ্জামান মনির বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হওয়া মাত্রই সেটি প্রমাণিত অপরাধ হয়ে যায় না। অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

তার দাবি, সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তির ছবি, নাম, পদবি এবং দুদকের লোগো ব্যবহার করে ফটোকার্ড প্রকাশের ফলে সাধারণ পাঠকের মধ্যে অভিযোগটি ইতোমধ্যে প্রমাণিত—এমন ধারণা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার পাশাপাশি তথ্য যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, ভারসাম্য, সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করাও জরুরি।”

বক্তব্য নেওয়া হয়েছিল কি না, জানতে চায় সোসাইটিঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে—সংবাদ প্রকাশের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক, পোষ্য সোসাইটির সভাপতি, সংশ্লিষ্ট ঘোষক এবং আইন কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কি না।

সংগঠনটির দাবি, যদি বক্তব্য নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে তা সংবাদে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। আর বক্তব্য নেওয়া না হয়ে থাকলে, এত গুরুতর অভিযোগ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হয়নি কেন—তার ব্যাখ্যাও প্রয়োজন।

‘সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না’ঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের পোষ্যদের অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে কাজ করছেন।

তার বক্তব্য, কোনো নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগের সঙ্গে তার ছবি ও সংগঠনের সভাপতির পরিচয় এমনভাবে যুক্ত করা হলে শুধু ব্যক্তিগত সুনাম নয়, বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সাংগঠনিক ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সাংগঠনিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার কোনো অপচেষ্টা থাকলে তা মেনে নেওয়া হবে না। প্রয়োজন হলে সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনসম্মত ও সাংগঠনিকভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

৭ দিনের মধ্যে সংবাদ প্রত্যাহার ও সংশোধনের দাবিঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির পক্ষ থেকে বাংলাধারা ডটকম কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকাশিত সংবাদ ও ফটোকার্ড পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সংশোধন/প্রত্যাহার এবং সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে।

একই সঙ্গে অভিযোগটি কেবল একটি অভিযোগ—কোনো আদালত বা আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রমাণিত অপরাধ নয়—এ বিষয়টি পাঠকের কাছে স্পষ্ট করার দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, সংবাদ প্রকাশের উৎস, অভিযোগকারীর পরিচয়, তথ্য যাচাইয়ের পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে হবে।

এসব বিষয়ে ৭ দিনের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা ও প্রয়োজনীয় প্রতিকার না পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

মামলা করার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় কমিটিরঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির জানিয়েছেন, প্রকাশিত সংবাদ ও ফটোকার্ডের বিষয়টি নিয়ে সংগঠনের পক্ষ থেকে আইনগত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় মামলা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ, সংবাদ সংশোধন/প্রত্যাহার এবং ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক প্রতিকার না পাওয়া গেলে আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত নোটিশ, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ এবং উপযুক্ত আদালতে মামলা/আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন,“এটি এখন শুধু প্রতিবাদের বিষয় নয়; আমাদের সাংগঠনিক মর্যাদা ও আইনগত অধিকার রক্ষার বিষয়। আমরা আইন নিজের হাতে তুলে নেব না। আদালত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর জবাব দেওয়া হবে।”

সকল জেলা কমিটিকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশঃ বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে সংগঠনের সকল জেলা কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন ও আইনগত পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে দেশের বিভিন্ন জেলা কমিটিও নিজ নিজ সাংগঠনিক অবস্থান থেকে আইনসম্মত কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংবাদ ও ফটোকার্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ, আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ, প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ এবং কেন্দ্রীয় কমিটির পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ও সাংগঠনিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি রাখতে বলা হয়েছে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “কোনো জেলা কমিটি বা কোনো সদস্য যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। সব ধরনের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সম্পূর্ণ আইনসম্মতভাবে পরিচালিত হবে।”

লিগ্যাল নোটিশ ও প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগের প্রস্তুতিঃ মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে আইনগত পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ দায়েরের বিষয়টিও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রয়োজনে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী অন্যান্য আইনগত প্রতিকার গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, “কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে। কিন্তু তদন্ত বা বিচারিক সিদ্ধান্তের আগেই কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে জনমনে অপরাধী হিসেবে প্রতীয়মান করার মতো প্রচার গ্রহণযোগ্য নয়।”

‘অভিযোগের সত্যতা থাকলে তদন্ত হোক, মিথ্যা হলে দায়ও নির্ধারণ হোক’

বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির সভাপতি বলেন, সংগঠনটি কোনো দুর্নীতি বা অনিয়মের তদন্তের বিরোধিতা করে না।

তার ভাষায়, “আমরা চাই অভিযোগের সত্যতা যাচাই হোক। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হোক। আবার অভিযোগ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলে সেটির দায়ও নির্ধারণ করা হোক। কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য অভিযোগকে সংবাদ ও প্রচারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।”

সংগঠনের কঠোর বার্তাঃ মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “৭ দিনের মধ্যে যথাযথ প্রতিকার না হলে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি পিছিয়ে থাকবে না। কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনগত নোটিশ, প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ, মামলা এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। দেশের সকল জেলা কমিটিকে এ বিষয়ে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। একই সঙ্গে ব্যক্তি ও সংগঠনের মর্যাদা, সুনাম এবং আইনগত অধিকার রক্ষার অধিকারও আমাদের রয়েছে। সত্য প্রকাশিত হলে আমরা স্বাগত জানাব; কিন্তু তথ্য যাচাই ছাড়া, একতরফা বা বিভ্রান্তিকর প্রচার হলে তার বিরুদ্ধে আইনসম্মত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।”

সোসাইটির স্পষ্ট অবস্থানঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া পাল্টা অভিযোগ আরোপ করা নয়। বরং প্রকাশিত সংবাদ ও ফটোকার্ডের উৎস, নথির সত্যতা, তথ্য যাচাই, অভিযোগকারীর পরিচয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

সংগঠনটির দাবি—অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হোক এবং সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও পর্যালোচনা করা হোক।

এ বিষয়ে বাংলাধারা ডটকম কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন