শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:২০, ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:২০, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট রেললাইনে তেলবাহী ট্রেন দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে পুরাতন স্লিপার ও ত্রুটিপূর্ণ রেললাইনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রেনের ওয়াগনগুলোর মান নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
সম্প্রতি ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামানের কাছে জমা দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তেল পরিবহন অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এ ধরনের পণ্য পরিবহনে উন্নত মানের ওয়াগন ব্যবহার জরুরি।ভালো মানের কোচ, স্লিপার এবং আধুনিক রেললাইন থাকলে নির্ধারিত ৪০ কিলোমিটার গতিসীমায় চলাচলকারী ট্রেন সাধারণত দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ে না।
প্রসঙ্গত, গত ১ এপ্রিল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে ৯৫১ নম্বর তেলবাহী ট্রেনটি মনতলা স্টেশন অতিক্রম করার পর দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ট্রেনটির ৫টি ওয়াগন ও একটি গার্ডব্রেক লাইনচ্যুত হয়।
পদ্মা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চট্টগ্রাম ডিপো থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার লিটার ডিজেল নিয়ে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল।দুর্ঘটনার ফলে প্রায় ৪২ হাজার লিটার তেল নষ্ট হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুর্ঘটনার পর প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শেষে রেল চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
এ ঘটনায় পরদিন ২ এপ্রিল ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে আহ্বায়ক করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২, বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (কেরেজ) এবং বিভাগীয় যন্ত্র প্রকৌশলী (লোকো)।
তদন্ত কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হলেও নানা কারণে নির্ধারিত সময়ের কয়েকদিন পর প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।