ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেট-ঢাকা-চট্টগ্রাম

মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে রেলের টিকিট, আদালতের স্বপ্রণোদিত মামলা

রেল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২০:৪৫, ৭ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২০:৪৭, ৭ অক্টোবর ২০২৬

মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে রেলের টিকিট, আদালতের স্বপ্রণোদিত মামলা

সিলেট-ঢাকা ও সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী রেলের টিকিট অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছাড়ার পর মুহূর্তেই বিক্রি হয়ে যায়। অনেক আগ্রহী টিকিট ক্রয় করতে পারেন না। বিষয়টি নিয়ে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দেওয়ার পর নজরে আসে আদালতের। এ বিষয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেছেন সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। মামলা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

আজ বুধবার মামলার নথিপত্র পিবিআইয়ের কাছে পৌঁছেছে। মামলাটি তদন্ত করছেন উপপরিদর্শক আবদুল আহাদ। তিনি জানিয়েছেন, আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা মামলাটি তিনি তদন্ত করছেন।

জানা গেছে, সিলেট থেকে ঢাকায় উপবন, কালনী, জয়ন্তিকা, পারাবত এবং চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। সারা দেশের ন্যায় সিলেট থেকে যাতায়াতকারী এসব ট্রেনের টিকিটও অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। অধিকাংশ যাত্রী অনলাইনে টিকিট ক্রয় করতে গিয়ে পারেন না। ফলে বাধ্য হয়ে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তারা ক্রয় করেন। এ অবস্থায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে উন্মুক্ত হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যম থেকে বিজ্ঞ আদালতের কাছে যায়। রেলের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে আদালত কয়েক মিনিটের মধ্যে ট্রেনের সব টিকিট বিক্রির বিষয়টি সন্দেহের সৃষ্টি করে।

আদালত মনে করেন, একটি চক্র ট্রেনের টিকিট বাজারজাতকরণের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কারও সহায়তায় মুহূর্তেই ট্রেনের সব টিকিট কিনে নিয়ে অধিক মূল্যে যাত্রীদের নিকট বিক্রয় করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের হয়রানির পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের বিকাশেও অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করেন আদালত। গত মাসের শেষের দিকে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি এজাহারে কালোবাজারি ও মজুতদারির মতো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে সিলেট রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, রেলের টিকিট অনলাইনে ক্রয় করতে হয়। কেউ কেউ সরাসরি কাউন্টার থেকেও ক্রয় করেন। টিকিট বিক্রিতে তাঁদের কোনো হাত নেই।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন