শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫:২৫, ৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:২৬, ৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা-পঞ্চগড় রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৫২৬ কিলোমিটার। দীর্ঘ এই পথে ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে চলাচল করে তিনটি আন্তঃনগর ট্রেন—একতা এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস। এর মধ্যে সেমি ননস্টপ হিসেবে চলাচল করে পঞ্চগড় এক্সপ্রেস।
দীর্ঘ এই পথে যাত্রীদের জরাজীর্ণ কোচ, ভাঙাচোরা সিট, অপরিষ্কার টয়লেট ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের মধ্যে যাতায়াত করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে একতা, দ্রুতযান ও পঞ্চগড় এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে ছেড়ে গেলেও ঢাকা থেকে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারে না। সিঙ্গেল লাইন, ক্রসিংসহ রেলওয়ের নানা জটিলতার কারণে ট্রেনগুলো প্রতিদিন গড়ে ৩–৪ ঘণ্টা বিলম্বে চলাচল করছে।
দ্রুতযান এক্সপ্রেস বাদে সেমি ননস্টপ পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ও একতা এক্সপ্রেস প্রায়ই বিলম্বে চলাচল করছে বলেও অভিযোগ যাত্রীদের।
সেমি ননস্টপ পঞ্চগড় এক্সপ্রেসকে ক্রসিংয়ের জন্য বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এতে দীর্ঘ পথের যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বাড়ছে। অভিযোগ রয়েছে, কন্ট্রোলের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে ক্রসিংয়ের জন্য ট্রেনগুলোকে অতিরিক্ত সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে ট্রেনের বিলম্ব আরও বেড়ে যাচ্ছে।
যাত্রীদের অভিযোগ, ঢাকা-পঞ্চগড় দেশের দীর্ঘতম রেলপথগুলোর একটি। এই দীর্ঘ পথে ট্রেনের কোচগুলোর অবস্থা নাজেহাল। জরাজীর্ণ কোচ, ভাঙাচোরা সিট, অপরিষ্কার টয়লেট ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের মধ্যেই যাত্রা করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে ক্রসিংসহ নানা কারণে ট্রেন নির্ধারিত সময়ে চলতে না পারায় দীর্ঘ যাত্রা আরও কষ্টকর হয়ে উঠছে।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ডিভিশনের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোঃ ফেরদৌস রেল নিউজ ২৪-কে জানান, পঞ্চগড় থেকে ঢাকার উদ্দেশে ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়েই ছেড়ে যায়। তবে ঢাকা থেকে ট্রেনগুলো নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারে না। ঢাকা ও পাকশী ডিভিশনের কারণে ট্রেনগুলো বিলম্বিত হয়।
তিনি বলেন, লালমনিরহাট ডিভিশনে ট্রেনগুলো কোনো বিলম্ব করে না। সব ট্রেন সঠিক সময়ে চলাচল করলে ঢাকা-পঞ্চগড় রুটের ট্রেনগুলো বিলম্বিত হতো না। তবে ক্রসিংসহ অন্যান্য কারণে কিছুটা বিলম্ব বেড়ে যায়।