শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০০:২৯, ১০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০০:৩০, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে পুলিশ নিরাপত্তা জোরদার করেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে রাজধানীর ৫৭টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন রেলস্টেশনে যাতায়াতের জন্য নির্ধারিত ৪৫টি মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেন বাতিল করেছে ভারতীয় রেলওয়ে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছে ককরোচ জনতা পার্টি। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের আহ্বানে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তরুণদের পাশাপাশি ছাত্রসংগঠন ও রাজনৈতিক কর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
ভারতীয় রেলওয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ১০ অক্টোবর সকাল ৪টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত মধ্যদিল্লিতে বিরোধী দলগুলোর পরিকল্পিত বিক্ষোভের কারণে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমানোর জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ৯ অক্টোবর দুপুর ২টার পর যাত্রার সূচি ছিল এবং ১০ অক্টোবর সকাল ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নয়াদিল্লি বা হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা ছিল—এমন সব মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেন যাত্রার প্রারম্ভিক স্টেশন থেকেই বাতিল করা হয়েছে। বাতিলের তালিকায় হাওড়া-নয়াদিল্লি ও শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেসও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সম্ভাব্য বড় জমায়েত ও বিক্ষোভকারীদের মিছিলের আশঙ্কায় দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। তালিকায় রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, পটেল চক, জনপথ, মান্ডি হাউস, আইটিও, সুপ্রিম কোর্ট, কাশ্মীরি গেট, চাঁদনি চক, হৌজ খাস ও আইএনএ’র মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে মেট্রো চলাচলের ব্যবধানও বাড়ানো হতে পারে।
যন্তর মন্তরে শনিবারের সমাবেশের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। তবে অনুমতি না পেলেও কর্মসূচি থেকে সরে আসতে নারাজ আন্দোলনকারীরা। নিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমায়েত হলে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে পুলিশ।
এ ছাড়া ৯ ও ১০ অক্টোবর দিল্লিতে খুচরা মদের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।