ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রেলওয়েতে টিএলআর শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে অনুসন্ধান

তথ্য চাইলেন সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির

রেল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩:১৪, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:১৫, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

রেলওয়েতে টিএলআর শ্রমিক নিয়োগ নিয়ে অনুসন্ধান

বাংলাদেশ রেলওয়েতে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে অস্থায়ী শ্রমিক তথা টিএলআর (টেম্পোরারি লেবার রোল) পদে নিয়োগ, কর্মস্থলে উপস্থিতি এবং বেতন-ভাতা প্রদান নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ চেয়েছেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট মনিরুজ্জামান মনির।

অনুসন্ধানের উদ্দেশ্য হলো, রেলওয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মস্থলে টিএলআর শ্রমিক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রকৃত কর্মসম্পৃক্ততা যাচাই করা এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা।

অনুসন্ধান সংশ্লিষ্ট সূত্রে অভিযোগ উঠেছে, টিএলআর শ্রমিক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তদের কেউ কেউ নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করেও বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। এ ছাড়া এ ধরনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কোনো কোনো কর্মকর্তার যোগসাজশে অর্থ ভাগাভাগির সম্ভাবনা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।

এ পরিস্থিতিতে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও কর্মস্থলে কতজন টিএলআর শ্রমিক নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগপ্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে, তাঁরা নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করছেন কি না এবং বেতন-ভাতা প্রদানে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না—এসব বিষয় অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে।

অনুসন্ধানকে তথ্যনির্ভর ও নিরপেক্ষ করতে নিয়োগপত্র, নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকা, হাজিরা খাতা, দায়িত্ব বণ্টনের নথি, বেতন-ভাতার রেকর্ড, ছবি, ভিডিও এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যসহ প্রাসঙ্গিক তথ্য চাওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য, নথিপত্র কিংবা প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে—এমন ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টদের অনুসন্ধানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তথ্য প্রদানকারীরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারবেন। যোগাযোগ নম্বর: **০১৭৩০৯৮৪০৮৬**।

তথ্যদাতার পরিচয় ও গোপনীয়তা যথাসম্ভব সুরক্ষিত রাখার কথা জানানো হয়েছে। সংগৃহীত তথ্যের সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি, কোনো ব্যক্তি বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য নেওয়া এবং তাঁর মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ ও তাঁদের বেতন-ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা এবং সরকারি অর্থের সম্ভাব্য অপব্যবহার হয়ে থাকলে তা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকাশ করাই এ অনুসন্ধানের মূল লক্ষ্য।

>> মনিরুজ্জামান মনির, সাংবাদিক ও কলামিস্ট।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন