শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯:৫৬, ১৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ০৯:৫৭, ১৩ জুলাই ২০২৬
টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বন্দর এবং সংশ্লিষ্ট সড়ক ও রেল যোগাযোগব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। এতে পণ্য খালাস, সংরক্ষণ এবং পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় আমদানি করা কাঁচামাল নষ্ট হচ্ছে। রপ্তানি আদেশ বাতিলের শঙ্কাও দেখা দিয়েছে। সংকট নিরসনে বন্দর ও এর সংযুক্ত সড়ক-রেল যোগাযোগ জরুরি ভিত্তিতে সচল রেখে পণ্য পরিবহনে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এছাড়া কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে কমিটি গঠন, ডিটেনশন ও পোর্ট রেন্ট মওকুফ, জরুরি ও পচনশীল পণ্যের দ্রুত খালাসের জন্য ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ ব্যবস্থা চালুসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ ও চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)।রোববার রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে পাঠানো চার ব্যবসায়ী সংগঠনের যৌথ স্মারকলিপিতে বলা হয়, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে বন্দরে পণ্য খালাস, সংরক্ষণ এবং পরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে আমদানি করা তুলা, সুতা, কাপড়, শিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক ও প্যাকেজিং সামগ্রী, খাদ্যপণ্য এবং অন্যান্য আর্দ্রতা সংবেদনশীল পণ্যের গুণগত মান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
একই সঙ্গে রপ্তানির অপেক্ষায় থাকা তৈরি পোশাক, হোম টেক্সটাইল, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, কৃষিজাত ও অন্যান্য প্রস্তুত পণ্যের শিপমেন্ট দেরি হওয়ায় রপ্তানি আদেশ বাতিল, মূল্যছাড়, বিলম্বজনিত জরিমানা এবং ব্যয়বহুল এয়ার শিপমেন্টের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।স্বারকলিপিতে সই করেন বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল ও সিসিসিআই সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।