ঢাকা, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন রেলওয়ের মহাপরিচালক

রেল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ২১:৩৫, ৩০ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ২১:৩৬, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন রেলওয়ের মহাপরিচালক

বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন পঞ্চগড় রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে তিনি ঢাকা থেকে রেলযোগে পঞ্চগড় স্টেশনে পৌঁছান। পরে তিনি স্টেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মহাপরিচালক বলেন, “১৮টি কোচ আনা হয়েছে। পঞ্চগড় থেকে আমরা আপাতত একটা নতুন ট্রেন চালু করব। এরপরে আমাদের টোটাল ২০০টি কোচ আসবে। সেগুলো দিয়ে আমরা কিছু নতুন ট্রেন ও কিছু রিপ্লেসমেন্টের পরিকল্পনা করেছি। পর্যায়ক্রমে কোচগুলো আসতে থাকবে এবং পর্যায়ক্রমে আমরা এগুলো চালু করব।”

তিনি আরও বলেন, “পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেললাইনের কাজ আসলে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। আমাদের সব লাইন ব্রডগেজে কনভার্ট হয় নাই। ব্রডগেজ কনভার্ট হওয়ার পরেই আমরা চিন্তা করব যে, পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার রেললাইনের যৌক্তিকতা আছে কিনা। সেখানে দেখতে হবে যে এইরকম প্যাসেঞ্জার পাওয়া যাবে কিনা, সেটাও দেখার বিষয় আছে। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা রেললাইন সম্প্রসারণের ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল; কিন্তু যেহেতু বাংলাবান্ধার পরে ইন্ডিয়ার সাথে কোনো কানেক্টিভিটি নাই, সেজন্য এটা দিয়ে যে খুব বেনিফিট পাওয়া যাবে— এমন মনে হয় নাই। সেটা শুধুমাত্র আমাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা হয়তো পূরণ করবে, কিন্তু যে উদ্দেশ্য ছিল— রিজিওনাল কানেক্টিভিটি, সেটা কিন্তু হবে না যদি বর্ডারের ওইপাশে কোনো রেললাইন এখানে এসে সংযুক্ত না হয়। তাহলে সরাসরি কিন্তু সংযুক্ত হবে না। সেজন্য ওই দিকটা বিবেচনা করে দুই দেশ যদি এগ্রি করে, তখনই সম্ভব। আদারওয়াইজ খুব একটা এখানে বেনিফিট হবে না, তাই আপাতত এটা স্থগিত রাখা হয়েছে। কখনো যদি দুই দেশ একমত হয়, তখন এটা করা হবে।”

মহাপরিচালক আরও যোগ করেন, “আমরা দেখতে আসছি যে এখানে লোডিং-আনলোডিং যে ফ্যাসিলিটি আছে, সেটা ঠিক আছে কিনা এবং কী কী চাহিদা আছে। যদি চাহিদা বেশি থাকে, তাহলে আমরা রেললাইন এক্সটেনশন করব। চাহিদা থাকলে ও জায়গা থাকলে আমরা একটু বড় করে দিতে পারি, যাতে আরও বেশি কোচ ঢোকানো যায়।”

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন