ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

২০ কার্তিক ১৪৩৩

কাউনিয়া–পার্বতীপুর রেলসেকশন পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ সরকারি রেল পরিদর্শকের

হোসাইন রাজিব, পশ্চিমাঞ্চল প্রতিনিধি রেল নিউজ

প্রকাশ: ২২:৪১, ৪ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ২৩:২৭, ৪ নভেম্বর ২০২৬

কাউনিয়া–পার্বতীপুর রেলসেকশন পরিদর্শনে সন্তোষ প্রকাশ সরকারি রেল পরিদর্শকের

কাউনিয়া–পার্বতীপুর রেলসেকশনের সার্বিক অবস্থা মোটামুটি ভালো বলে জানিয়েছেন সরকারি রেল পরিদর্শক (জিআইবিআর) আহমেদ মাহবুব চৌধুরী। তবে রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণ ও সরকারি সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মী ও সুপারভাইজারদের তৎপরতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

বুধবার (৪ নভেম্বর ২০২৬) জিআইবিআর দপ্তরের পক্ষ থেকে কাউনিয়া–পার্বতীপুর রেলসেকশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

আহমেদ মাহবুব চৌধুরী জানান, পরিদর্শনকালে রেললাইন, ব্রিজ, কালভার্ট, লেভেল ক্রসিং গেট ও স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি ট্রেনও পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনে কিছু ক্ষেত্রে মিশ্র চিত্র পাওয়া গেলেও সামগ্রিকভাবে রেললাইনের অবস্থা সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, রেললাইন যথেষ্ট ভালো রয়েছে। তবে নিচের পর্যায়ে কর্মরত বিভিন্ন স্তরের কর্মী ও সুপারভাইজারদের কার্যক্রম আরও বাড়াতে হবে। এতে সরকারের দেওয়া সরঞ্জাম ও রক্ষণাবেক্ষণ সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পরিদর্শনে রক্ষণাবেক্ষণের মালামালের মজুত সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় মালামাল মোটামুটি পর্যাপ্ত রয়েছে। কোথাও কোথাও সামান্য ঘাটতি থাকলেও তা উল্লেখযোগ্য নয়। বিভিন্ন ধরনের স্লিপার ও পাথরের কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি রেললাইনে পাথরের যথাযথ প্যাকিং নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম প্রসঙ্গে সরকারি রেল পরিদর্শক বলেন, বিশেষ করে গ্যাংওয়েতে কর্মরত কর্মীদের কাজের তৎপরতা আরও বাড়াতে হবে। রেলপথের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি এবং রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।

এ সময় ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা ও আয় প্রসঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁর মতে, ট্রেনে পর্যাপ্ত যাত্রী থাকলেও সেই যাত্রীসংখ্যার অনুপাতে আয় হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

সব মিলিয়ে কাউনিয়া–পার্বতীপুর রেলসেকশনে বুধবারের পরিদর্শন মোটামুটি ভালো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি রেলপথের রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল তৎপরতা এবং বিদ্যমান সম্পদের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন