শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০০:৪৪, ২ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০০:৪৪, ২ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ‘ছি/ন/তা/ই/য়ে/র পর চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া’ হাফিজুর রহমান (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা গেছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে তার মৃ/ত্যু হয়।
নিহত হাফিজুর রহমান বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরচিংগুরি গ্রামের মৃত রহমান শেখের ছেলে। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুরের একটি রিসোর্টে চাকরি করতেন। পরিবারে তার এক সন্তান রয়েছে।
নিহত হাফিজুরের গ্রামের প্রতিবেশী মো. জুয়েল জানান, ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় গাজীপুর থেকে রওনা হয়েছিলেন হাফিজুর। সাধারণত জয়দেবপুর থেকে ট্রেনে করে ঢাকার কমলাপুর এসে সেখান থেকে সায়দাবাদ হয়ে বাসে বাগেরহাট যেতেন তিনি। আজ সকালে পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে স্বজনরা গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা মেডিকেলের মর্গে ম/র/দে/হ শনাক্ত করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. ফয়জুল্লাহ জানান, গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরছিলেন। কুর্মিটোলা হাসপাতালের কাছে রেললাইনের পাশ থেকে এক যুবকের চিৎকার শুনে এগিয়ে গিয়ে দেখেন, গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন হাফিজুর। তবে আঘাতের কারণে তিনি কোনো কথা বলতে পারছিলেন না। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজনের বরাতে ফয়জুল্লাহ আরও জানান, কমলাপুরগামী একটি ট্রেনের ছাদে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছিলেন হাফিজুর। সর্বস্ব ছিনিয়ে নেয়ার পর তাকে ট্রেনের ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়া হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন বলেন, কুর্মিটোলা এলাকায় ট্রেন থেকে পড়ে আহত ওই যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা/রা গেছেন। তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তবে তাকে ট্রেন থেকে ফেলে দেয়া হয়েছে, নাকি অন্য কোনোভাবে পড়েছেন–সে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা দায়ের হয়নি। ময়নাতদন্তের জন্য ম/র/দে/হ ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।