শিরোনাম
প্রকাশ: ২২:৪২, ২৯ জুলাই ২০২৬
ঢাকা মেট্রোরেলের (এমআরটি লাইন-৬) বিয়ারিং প্যাড পড়ে মৃত্যুর ঘটনার পর সেফটি অডিট কমিটির জরুরি সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি গঠন করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। গত ১৬ জুলাই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমটিসিএলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এমআরটি লাইন-৬-এ বিয়ারিং প্যাড পড়ে যাওয়ার ঘটনার পর হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। উক্ত রিটের শুনানিতে গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে হাইকোর্ট সেফটি অডিট কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে তৈরি 'তাৎক্ষণিক সুপারিশমালা' বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং এই বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন।
উচ্চ আদালতের এই আদেশের পরই গত ১৬ জুলাই ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলম এক অফিস আদেশ জারি করেন। গঠিত এই কমিটিকে হাইকোর্টের নির্দেশনাবলী ও সেফটি অডিট কমিটির সুপারিশমালা পর্যালোচনা করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
গঠিত ১০ সদস্যের এই অভ্যন্তরীণ কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ডিএমটিসিএলের লাইন-১ প্রজেক্টের উপ-প্রকল্প পরিচালক (সিভিল-২, আন্ডারগ্রাউন্ড) খালেদ আনোয়ার সাগর।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— লাইন-৬ এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল ওহাব, লাইন-১ এর প্রকল্প পরিচালক মো. সারওয়ার উদ্দীন খান, রোলিং স্টকের মহাব্যবস্থাপক মৃনাল কান্তি বণিক এবং লাইন-৬ এর অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (সিভিল) মোহাম্মদ শাহজাহান।
এছাড়া কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে— অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (আন্ডারগ্রাউন্ড) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক (ইলেকট্রিক্যাল, সিগন্যাল ও ট্র্যাক) মো. রেজাউর রহমান আকন্দ, মহাব্যবস্থাপক (পি-ওয়ে অ্যান্ড সিভিল) মো. আরিফুজ্জামান এবং মহাব্যবস্থাপক (ইলেকট্রিক্যাল) মীর মনজুর রহিমকে।
কমিটির প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে রয়েছে— সেফটি অডিট কমিটির সুপারিশ এবং হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজের পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়ন করা। এছাড়া লাইন-৬ এর সার্বিক কাজের সমন্বয়, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রাখা এবং চুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বাধীন সেফটি অডিট কমিটির সাথে প্রয়োজনে সমন্বয় রাখা তাদের অন্যতম কাজ।
ডিএমটিসিএলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সকল কার্যক্রম শেষে কমিটি আগামী ১২ আগস্টের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাদের সুপারিশ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত একটি বিশদ অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরি করবে এবং ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা হাইকোর্টে জমা দেওয়া হবে।