ঢাকা, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬

১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন মোহনগঞ্জ স্টেশনে আসতে ৪ ঘন্টা দেরি, হাজারো যাত্রীর ভোগান্তি চরমে

প্রকাশ: ১৮:২৮, ২৮ আগস্ট ২০২৬

হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন মোহনগঞ্জ স্টেশনে আসতে ৪ ঘন্টা দেরি, হাজারো যাত্রীর ভোগান্তি চরমে

মোহনগঞ্জ টু  ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন প্রতিদিন ভোর ৪ টায় মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছে। 

 

শুক্রবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হাওর এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি মোহনগঞ্জ স্ট্যাশনে যথা সময়ে না আসায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় ভোরে ট্রেন  ধরতে আসা  হাজারো যাত্রীদের। কোনো খুঁজ না পেয়ে  দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ট্রেনের সন্ধান করতে যাত্রীরা মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার এর রোমে যোগাযোগের চেষ্টায় ভিড় জমায়।

 

কিন্তু  মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাষ্টার মো: জজিরুল ইসলাম তার অফিসে না এসে পাশের রোমে ঘুমিয়ে  থাকেন। যাত্রীরা ট্রেন  কোথায় আছে, ৪ ঘন্টা  সময় পার হলেও কেন স্টেশনে আসনি,  নাকি আসবেনা, কোন দুর্ঘটনা হয়েগেছে কিনা,  এসব প্রশ্ন  নিয়ে স্টেশন মাষ্টারের সন্ধানে করে না পেয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হয়। ছুটাছুটি করে এদিক ওদিক। এক যাত্রী  অন্য যাত্রীর কাছে ট্রেনের খবর জানতে চান।

 

এ অবস্থায়  ক্ষোব্দ যাত্রীদের মধ্যে  একজন  সুমন মিয়া ভোর দুইটায় সুনামগঞ্জের মধ্য নগর থেকে পরিবার নিয়ে  ঢাকা যাওয়ার উদ্যোশ্যে আসেন মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন।  তিনি জানান, কি কারনে ট্রেন  ৪/ ৫ ঘন্টা  দেরি তার কোন খবর দেয়নি রেল কতৃপক্ষ।  এতে যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা ও সিদ্ধান্ত হীনতায় ভূগছিলেন তিনি।

 

অনেক সময় পর ৮ টা ১৫ মিনিটে দেখা মিলে পয়েন্সম্যান হিসাবে দায়িত্বে থাকা মো: রিয়াদ হাসান নামে এক রেল কর্মীর।  তিনি জানান রাত ১ টায় ঢাকা ট্রেনের ইঞ্জিন  নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এ জন্য ট্রেন  দেরিতে ছাড়ে। মোহনগঞ্জ  ট্রেন আসতে হয় দেরিতে। 

 

মোহনগঞ্জ  হাওর আন্তঃ নগর ট্রেনে প্রতিদিন এক হাজারেরো উপরে যাত্রী ঢাকা , ময়মনসিংহ  যায়।

 

সরথ  বাবু নামে এক যাত্রী  বলেন, যে কোন কারনে ট্রেন দেরিতে আসতেই পারে,  কিন্তু  এ খবরটা তো যাত্রীদের জানানো উচিৎ রেল কতৃপক্ষের।  প্রতিদিন ট্রেন ছাড়ে সকাল আটটায়, ভোর সাড়ে ৪ টায় ট্রেন স্টেশনে পৌঁছে যায়, কিন্তু আজ ৮ টা পার হলেও ট্রেন না আসায় ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। 

 

এ ব্যপার রেলস্টেশন মাষ্টারের বক্তব্য নিতে  একাদধিক বার অফিস রোমে গিয়েও তার চেয়ার খালি পাওয়া যায়। জানতে চাইলে এক কর্মী জানান তিনি পাশের রুমে ঘুমে আছেন।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন