ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

১৮ চৈত্র ১৪৩২, ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭

রেলের টাকা শাহ আলমের পকেটে নেপথ্যে অসাধু তিন কর্মকর্তা

বিশেষ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩:৪৩, ১ এপ্রিল ২০২৬

রেলের টাকা শাহ আলমের পকেটে নেপথ্যে অসাধু তিন কর্মকর্তা

বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম নতুন স্টেশন এলাকায় ২ টি পার্কিং রয়েছে যার পরিমান ৭০০০০ ও ৪০০০০ বর্গফুট। আওয়ামীলীগ সরকারের সময় আওয়ামীলীগের আস্থাভাজন ও ডোনার শাহ আলম গং ও বাবর আলী ক্ষমতার দাপটে উক্ত পার্কিং দুইটি লীজ নেয়। লীজের সময় অতিবাহিত হওয়ার পরেও রেলওয়ের নীতিমালা লংঘন করে মামলার মাধ্যমে অবৈধভাবে পার্কিং দুটি দখল করে আছে। রেলওয়ের তিন কর্মকর্তা ভালো মানের মাসোয়ারা গ্রহন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।  
মামলা চলাকালীন সময় বিধিবহির্ভূতভাবে শাহ আলম  এর মালিকানাধীন এস এ কর্পোরেশন থেকে খাজনা নিয়েছে 
সাবেক পাহাড়তলী (পূর্বাঞ্চল) চট্টগ্রামের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা দীপঙ্কর তঞ্চঙ্গ্যা ও সাবেক  আমীন আব্দুস সালাম। 
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে পার্কিং এর টাকা রেলখাতে নিতে পারে। কিন্তু রেলখাতে গেলে তো কর্মকর্তাদের পকেটে টাকা আসবে না। যারাই এই চেয়ারে বসে তারাই শাহ আলম এর পকেটের লোক হয়ে যায়।তাই তারা এটি নিচ্ছে না বলে অভিযোগটি সকলেরই অবগত। রেলওয়ে যাতে রাজস্ব পায় এজন্য পার্কিং বরাদ্দের জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিলো। এদের ভিতর মেসার্স রাব্বি ইঞ্জিনিয়ারিং পার্কিং দুইটি বরাদ্দের জন্য আবেদন করে। মেসার্স রাব্বি ইঞ্জিনিয়ারিং এর স্বত্তাধিকারী মোহাম্মদ আলী বাদল রেল নিউজকে বলেন, বৈধভাবে পার্কিং বরাদ্দ দিলে রেলওয়ে রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। রেলের টাকা ড্রেনেজ হওয়ার কোন মানেই হয় না। 
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা (সিইও),পাহাড়তলী (পূর্বাঞ্চল) চট্টগ্রামের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা এবং রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের আইন কর্মকর্তা মাহমুদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় রেলের টাকা যাচ্ছে শাহ আলমের পকেটে। রাজস্ব হাড়াচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই বিষয়ের অভিযোগটি নিয়ে রেলনিউজ কথা বলার চেষ্টা করে অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তার সাথে। কিন্তু তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তাদের বক্তব্য পাওয়ার পরে যুক্ত করা হবে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন