শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১০:২২, ১১ এপ্রিল ২০২৬
চাঁদপুর রেলওয়ের কোট স্টেশন অফিস থেকে রেলের টিকেট বিক্রির সারে ৭ লক্ষ টাকা অডিটে গরমিল পাওয়ায় ও ব্যাংকে জমা না দেয়ায় আলাউদ্দিন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকাল ৩ টায় চট্টগ্রাম থেকে আগত রেলের অডিট টিম চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে কোট স্টেশন রেলওয়ে প্লাটফর্মে এসে অফিস কক্ষে অডিট কার্যক্রম শুরু করেন। এই অডিট টিমের নেতৃত্বে ছিলেন,টিআইএ (লাকসাম)মঞ্জুরুল আহসান।এসময় তিনি চলতি বছরের জানুয়ারি-২৫ তারিখ থেকে-৫ এপ্রিল পর্যন্ত ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫০ টাকার হিসাবে গরমিল পান। চাঁদপুর রেলওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার ইকবাল হোসেন জানান, কোট স্টেশন রেলওয়ে প্লাটফর্ম অফিস কক্ষে অডিট টিম হিসাব নিকাশে গরমিল পায়।প্রায় আড়াই মাসের হিসাবে ৭ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫০ টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে নকল ছিল বানিয়ে ভুয়া ভাউচার দেখিয়ে আত্মসাৎ করে তার ব্যাক্তিগত কাজে খরচ করে টিএলআর (অস্হায়ী) আলাউদ্দিন।এসময় আটক টিএলআর (অস্হায়ী) আলাউদ্দিেনর পিতা জানান,আমার ছেলে কোনো টাকা আত্মসাৎ করেনি। আমার ছেলে এখানে কাজ করে দেড় বছর ধরে। টাকা আত্মসাৎ করলে এখানে যে টিকেট মাষ্টারের দায়িত্বে রয়েছে হাবিব সেই কর্মকর্তা আত্মসাৎ করেছে।এখন সে আমার ছেলের উপর সব দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে।তিনি আরো বলেন,আমার ছেলে যদি অপরাধী হয় তার চেয়ে বড় অপরাধী স্টেশন মাস্টার হাবিব। এই টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার দায়িত্ব ইস্টেশন মাস্টারের। অথচ আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য সব দায়ভার আমার ছেলের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রাজিব চন্দ্র কর বলেন, কোট স্টেশন অফিস থেকে সরকারি টাকা অডিটে গরমিল পাওয়ায় ও ব্যাংকে জমা না দেয়ায় আমরা একজনকে আটক করেছি। স্টেশন মাস্টার হাবিবুর রহমান এ বিষয়ে একটি এজহার দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে। তারপরই আইনি ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।কিন্তু জনমনে প্রশ্ন এই টাকার দায়ভার সম্পূর্ণ স্টেশন মাস্টার হাবিবুর রহমানের উপর পরে,অথচ তাকে আটক না করে টিএলআর (অস্হায়ী) আলাউদ্দিনকে একা কেন আটক করা হলো।
নিশ্চয়ই এখানে কোন গভীর ষড়যন্ত্র লুকিয়ে রয়েছে।