শিরোনাম
বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশ: ১৩:০৪, ২৬ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৩:০৪, ২৬ মে ২০২৬
এম এইচ শাহীন আলম নামের ফেসবুক আইডি থেকে শাহজাহানপুর কলোনিতে গরুর হাট নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লিখেন,
খুবই মেজাজ খারাপ অবস্থায় লিখা গুলো লিখছি।সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্মকর্তাদের বলছি, আমরা রেলওয়ে ষ্টাফ হিসেবে কতোটা চুতিয়া হলে এই ধরনের দুর্ভোগের বিষয় আপনাদের চোখ থাকতেও আপনারদের চোখের ভেতর আঙ্গুল দিয়ে বার বার দেখাতে হয়। আচ্ছা, আপনাদের কি নূন্যতম মনুষ্যত্ব বোধ নাই? আপনারা তো আমাদের পাশেই অফিসার্স কোয়ার্টার গুলোতে থাকেন। এক বার নিজের বাসার সামনে এমনটা চিন্তা করে দেখেন তো যে আপনি এইরকম পানি জমে যাওয়া অবস্থায় বাসায় নিচে গরুর গোবর মাড়িয়ে প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় কাজ গুলা করেন। দেখেন কেমন লাগে। আমার মা অসুস্থ, বাসা থেকে হাসতালে নিয়ে যাবে, সেটা যাওয়ার জন্য কোন ইমার্জেন্সি ব্যবস্থা পর্যন্ত নাই বাসার নিচে। আপনারা নাকি আবার বাসা ভাড়া দিলে রাগ করেন আর বলেন, ভাড়া দিলে বাসা ক্যান্সেল করে দেওয়া হবে। লজ্জা লাগে না এই সব বলতে?
আপনারাই নাকি আবার বিসিএস ক্যাডার, কর্মকর্তা। দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করে দায়িত্বশীল জায়গায় বসছেন কিন্তু নূন্যতম কমনসেন্সটুকু অর্জন করতে পারেন নাই, সিভিক সেন্স নাই, নিজের ষ্টাফদের এমন দুর্ভোগ দেখার পরও চোখে টিনের চশমা দিয়ে ঘুরেন। আমার সরল মনে প্রশ্ন, এই টিনের চশমা কিনতে কতো টাকা নিছেন? যদি টাকা না নিতেন অন্তত আমাদের কষ্টগুলো বুঝতেন।
আমি জানি, আমার এই সব কথায় কোন কর্ণপাতই আপনারা করবেন না। উল্টো রিএকশন দিবেন আমার এই পোস্টের। আমি সেই রিএকশনটাই দেখতে চাই যে কোন কুশিক্ষায় শিক্ষিত কর্মকর্তা রিএকশনটা দেয়।
ভিডিওটা আমার বাসার নিচের চিত্র। সকালে আমার মা কে হাসপাতালে নিতে অনেক ঝামেলা হইছে। আমি নিজে দেশের বাইরে থাকায় দুইজন মহিলা মানুষ মানে আমার মা এবং আমার স্ত্রী এমন কন্ডিশন পার হয়ে হাসপাতালে গিয়েছে। সেটা মোটেও আমার কাছে সুখকর বিষয় না। খুব ঘৃণা করে আপনাদের স্যার বলে ডাকতে।
এই পোস্টের কমেন্টে মো: শরীফ হোসাইন লিখেন,
কলোনি নিয়ে কিছু লিখলে বা বললে হুমকি আসে সমস্যা এইখানে। যারা হুমকি দেয় তাঁরাও রেল কলোনির সন্তান। রেল কলোনি আবেগের জায়গা যারা এখানে বসবাস করেছেন জন্ম থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত, রেল কলোনির করুন দশা সহ্য করতে তাদের প্রতিনিয়ত কষ্ট হচ্ছে।আগের ২০/৩০ বছর কলোনি আর এখনকার কলোনির মধ্যে রাতদিন পার্থক্য।আমাদের স্টাফরা মুখ বন্ধ রাখে ভয়ে,তুই পোস্ট না দিলে অনেকেই অভিমত জানাতে পারতো না। শেষ যে বার তুই আমরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করলাম, কয়জন পাশে ছিল বল।
তাসলিমা জান্নাত লিখেন, সকালে আমি আমার শ্বাশুড়ি মা কে নিয়ে হাসপাতালে যেতে মারাত্মক রকম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমরা কি এখানে গরু ছাগল বাস করি নাকি? এই গুলো দেখার কি কেউ নাই?.