শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১২:১০, ২ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১২:১০, ২ নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের মেইট, কিম্যান ও ওয়েম্যান পদের দীর্ঘদিনের গ্রেড বৈষম্য নিরসনে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রকৌশল বিভাগ কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটি। এ লক্ষ্যে ঢাকা ও টঙ্গী সেকশনের মেইট প্রতিনিধিদের নিয়ে টঙ্গী সেকশনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রতিনিধিরা জানান, ২০১৪ সালে মেইট পদকে ১৫তম, কিম্যান পদকে ১৭তম এবং ওয়েম্যান পদকে ১৮তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সেই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি। বর্তমানে মেইটরা ১৮তম এবং কিম্যান ও ওয়েম্যানরা ১৯তম গ্রেডে কর্মরত রয়েছেন। এমনকি ২০২০ সালের নিয়োগবিধি সংশোধনের সময়ও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় দীর্ঘদিনের এই বৈষম্য বহাল রয়েছে।
আলোচনা সভায় জানানো হয়, গ্রেড বৈষম্য নিরসনে কেন্দ্রীয় কমিটি আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। এ ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ের কর্মরত কর্মীদের মতামত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় ও যোগাযোগ রক্ষার জন্য বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধিদের নাম নিয়েও আলোচনা হয়।
এতে ঢাকা বিভাগের মেইট প্রতিনিধি হিসেবে হানিফ, খলিলুর রহমান রাসেল, সহেল রানা ও মহসিন এবং টঙ্গী বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে হারেজ পাঠান, নজরুল ইসলাম, মোস্তফা, আফসার ও মনির উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য লালমনিরহাট বিভাগ থেকে বিদ্যুৎ কুমার ঘোষ, আলমগীর হোসেন, ফরিদুল ইসলাম ও আবু জাফর; পাকশী বিভাগ থেকে আব্দুর রহিম, নাসির উদ্দিন ফারুক, মোস্তাফিজুর রহমান (পার্বতীপুর), আবু সাঈদ (সান্তাহার), লিটন (রাজবাড়ী), সিকান্দার (রাজশাহী) ও মারফুজ্জামান রাব্বি (চুয়াডাঙ্গা)।
ঢাকা বিভাগ থেকে শাহীন, খোরশেদ আলম (ময়মনসিংহ ও জামালপুর ব্যতীত), আরিফ (শায়েস্তাগঞ্জ), নিজাম আলম তালুকদার (সিলেট), আল-আমিন (নরসিংদী) ও স্বপন (আখাউড়া) এবং চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে জিয়াউল হাসান মিঠু, মনছুর আলম, মিজানুর রহমান, রমজান (কুমিল্লা), আলাউদ্দিন (লাকসাম) ও সাদ্দাম (নোয়াখালী) প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত প্রতিনিধিরা দীর্ঘদিনের গ্রেড বৈষম্য নিরসনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে মেইট, কিম্যান ও ওয়েম্যানদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হন।