শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ১৩:৩৫, ১ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৩:৫৫, ১ নভেম্বর ২০২৬
ট্রেনের টিকিট অনলাইনে বিক্রির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) মাহবুব কবির মিলন। ফটোকপি ও স্টেশনারি দোকানে ট্রেনের টিকিট পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেছেন, অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের পর একটি চক্র বেশি দামে সেগুলো কালোবাজারে বিক্রি করছে। অথচ এ ধরনের অনিয়ম ঠেকাতে রেলের কার্যকর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
রোববার (১ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে মাহবুব কবির মিলন জানান, রাজধানীর শ্যামলীতে তাঁর বাসার পাশের একটি ফটোকপির দোকানে ট্রেনের টিকিট পাওয়া গেছে। তাঁর ভাষ্য, ফটোকপি ও স্টেশনারি দোকানে টিকিট পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি শুধু শ্যামলীতেই সীমাবদ্ধ নয়; অন্যান্য এলাকাতেও এমন ঘটনা থাকতে পারে। এ বিষয়ে তিনি সবাইকে নিজ নিজ এলাকায় খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানান।
রেলমন্ত্রী অনলাইনে টিকিট বিক্রির স্বচ্ছতা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে সাবেক এই রেল কর্মকর্তা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আমলে নেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তবে অনলাইনে আগে প্রবেশ করতে পারলেই টিকিট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় এবং সেই টিকিট পরবর্তী সময়ে কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মাহবুব কবির মিলনের অভিযোগ, অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে সার্ভার ম্যানিপুলেশনসহ বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়গুলো যথাযথভাবে প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। সন্দেহজনক ১০ হাজার মোবাইল নম্বর বা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত কিছুর পরও যদি টিকিট বিক্রির ব্যবস্থায় কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে ফটোকপি ও স্টেশনারি দোকানে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে কীভাবে?
পোস্টে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে উল্লেখ করেন, মন্ত্রী, রেলওয়ে, সরকার, মন্ত্রণালয়, দোকানদার ও কালোবাজারি—সবাই খুশি থাকলেও ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং অনলাইন টিকিট বিক্রির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। মাহবুব কবির মিলনের সাম্প্রতিক এই মন্তব্য সেই বিতর্ককে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।