শিরোনাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০১:৫০, ১৮ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০১:৫৬, ১৮ আগস্ট ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হ/ত্যাসহ একাধিক ফৌজদারী মামলার আসা/মী, ১৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং জয় বাংলা পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ রেলওয়ের হিসাব বিভাগের অস্থায়ী টিএলআর কর্মচারী বাপ্পী দাশ দীর্ঘদিন ফেরারী থাকার পর কাজে যোগদান করতে আসাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় সাবেক ছাত্রদল নেতা ও কেন্দ্রীয় জাতীয়তাবাদী (অস্থায়ী) শ্রমিক দলের নেতা হাসান-হোসেনের ওপর অতর্কিত হাম/লার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে বাপ্পী দাশের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাপ্পী দাশ আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী এবং কেন্দ্রীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি শেখ লোকমান হোসেনের মাধ্যমে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ রেলওয়ের হিসাব বিভাগে অস্থায়ী টিএলআর পদে চাকরি নেন। পরবর্তীতে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং জয় বাংলা পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ-পদবী ব্যবহার করে রেলওয়ের হিসাব বিভাগে প্রভাব বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া খুলশী থানার অধীনে আমবাগ রেলওয়ে কলোনির বিভিন্ন বাসা থেকে মাসিক চাঁ/দা আদায়েরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাঁ/দা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বিভিন্ন ধরনের ভ/য়ভীতি ও হু/মকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জুলাই আন্দোলন চলাকালে সাইফুল আলম লিমন (ছাত্রলীগ)-এর নেতৃত্বে ৩, ৪ ও ৫ আগস্ট নগরীর টাইগারপাস, কোতোয়ালী নিউ মার্কেট ও খুলশী থানা এলাকায় নারকীয় ধ্বং/সযজ্ঞ চালানো হয়। এসব ঘটনায় বাপ্পী দাশের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
তার বিরুদ্ধে চাঁ/দাবাজি, স/ন্ত্রাসবিরোধী আইনসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হ/ত্যার অভিযোগে একাধিক ফৌজদারী মামলা রয়েছে বলেও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বাপ্পী দাশ কয়েকজন কথিত বিএনপিপন্থী লা/ঠিয়াল বাহিনীর সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রামের সিআরবিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের হিসাব বিভাগে কাজে যোগদান করতে আসেন। এ সময় জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা হাসান ও হোসেনের বাধার মুখে পড়েন তিনি।
একপর্যায়ে বাপ্পী দাশের সঙ্গে থাকা কথিত লা/ঠিয়াল বাহিনীর সদস্যরা হাসান ও হোসেনের ওপর অতর্কিত হা/মলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষো/ভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
তবে বাপ্পী দাশের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।