শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০০:১৬, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ০০:৩৩, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রাম ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র আয়কর আইনজীবী মো. মাহবুবুর রহমান (এমআর নম্বর: ৩২১৯) দুদকের প্রধান কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকায় এ অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে পদোন্নতি পরীক্ষার তারিখ, পরীক্ষার খাতা, ফলাফল প্রস্তুত এবং ফলাফলপত্রে অনিয়ম ও জালিয়াতির বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম) কার্যালয় থেকে গত ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটরদের পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় সাঁটলিপি পরীক্ষা এবং ২২ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় কম্পিউটার ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে পরীক্ষার্থীরা রাজশাহীতে গিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন।
অভিযোগকারী দাবি করেন, পরীক্ষার আগের দিন জালিয়াতির মাধ্যমে ১৫ জন পরীক্ষার্থীর খাতা প্রস্তুত করে সাঁটলিপি ও কম্পিউটার ব্যবহারিক পরীক্ষার দুই অংশেই তাঁদের উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ, ফলাফলপত্রে পরিবর্তন বা টেম্পারিং, ফলাফলপত্র তৈরির তারিখ এবং শর্টহ্যান্ড বা সাঁটলিপির পরীক্ষার খাতা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগও করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অনিয়মের কারণে তিনজন পরীক্ষার্থীর খাতা হল এক্সামিনার নিয়ে গেলেও তাঁরা কীভাবে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেন, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন। এ ঘটনায় পদোন্নতি পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ফলাফল প্রস্তুতের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী।
অভিযোগকারী মো. মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি কম্পিউটার ব্যবহারিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ২৫টি শূন্য পদ পূরণেরও দাবি করেছেন তিনি।