শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:১৩, ১১ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১৭:১৫, ১১ আগস্ট ২০২৬
চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নিকট সচেতনতামূলক লিফলেট তুলে দেন সাবেক ছাত্রনেতা হাসান ও হোসেন।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) হলেন মো. সুবক্তগীনের হাতে এসব লিফলেট তুলে দিয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেলপথের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এসব লিফলেট বিতরণ করা হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাথরের আঘাতে যাত্রীদের পাশাপাশি ট্রেনের চালক, গার্ড ও রেলওয়ের দায়িত্বশীল কর্মীরাও গুরুতর আহত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন। অনেক সময় ছোট একটি পাথরও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
উদ্যোগের বিষয়ে সাবেক ছাত্রনেতা হাসান ও হোসেন রেলনিউজকে বলেন, “চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ কোনো আনন্দ বা দুষ্টুমি নয়; এটি মানুষের জীবনকে সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। একটি পাথরের আঘাতে একজন যাত্রীর জীবন যেমন বিপন্ন হতে পারে, তেমনি ট্রেনের নিরাপদ চলাচলও ব্যাহত হতে পারে। তাই শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করাও জরুরি।”
তারা আরও বলেন, “আমরা চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিক—চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। আমাদের এই ছোট উদ্যোগ যদি একটি দুর্ঘটনাও প্রতিরোধ করতে পারে, তাহলেই আমরা মনে করব আমাদের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।”
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রেলপথের বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তৎপরতার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং সম্মিলিত জনসচেতনতাই চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের মতো বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।