শিরোনাম
প্রকাশ: ০৩:০৬, ২ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ০৩:০৭, ২ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ রেলওয়েকে আধুনিক, জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।
তিনি বলেছেন, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে রেলের আয় বাড়ানো এবং ক্ষতি কমানো সম্ভব। এতে রেল পরিবারের সদস্যদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নের সুযোগও আরও সুদৃঢ় হবে।
শনিবার (১ আগস্ট) চট্টগ্রামের খুলশী কনভেনশন হলে বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সারা দেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রার সময় কমিয়ে আনতে নারায়ণগঞ্জ-কুমিল্লা কর্ডলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলমান রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ কমবে এবং প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাত্রীদের জন্য আরও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
রেল ব্যবস্থার সক্ষমতার কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে যাত্রীদের উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব বলে মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সময়নিষ্ঠতা ও দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে আরও কার্যকর ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটির সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। বিধি-বিধান পর্যালোচনা করে দাবিগুলো বাস্তবায়নে ইতিবাচকভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রেল পরিবারের সদস্যদের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি রেলকে আরও উন্নত ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে তাদেরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণের সেবাই হবে রেলের প্রধান অঙ্গীকার। আর সেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমেই রেল পরিবারের কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব।
বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়ীজ কো-অপারেটিভ হাউজিং সোসাইটি লিমিটেডের সভাপতি আব্দুস সাত্তার সেলিমের সভাপতিত্বে এবং সোসাইটির সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসাইন রতনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) মো. সুবক্তগীন।
সভায় বাংলাদেশ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী, সোসাইটির সদস্যবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।