শিরোনাম
রেল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯:২৫, ৫ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ০৯:২৫, ৫ নভেম্বর ২০২৬
রাজধানীর যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নে এক বড় মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মেট্রোরেল ভবনের সম্মেলনকক্ষে প্রকল্পটির ৪টি গুরুত্বপূর্ণ প্যাকেজের আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকার ও জাইকার (JICA) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাওগাতুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি ও জাইকা বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ৯.৬২৯ কিলোমিটার পাতাল রুট ও আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হবে দুটি প্যাকেজে। এর মধ্যে সিপি-০৪-এর আওতায় রামপুরা আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত (৪.৪৪৭ কিমি) এবং সিপি-০৬-এর আওতায় নদ্দা থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত (৫.১৮২ কিমি) পাতাল রেলপথ তৈরি হবে। এছাড়া সিপি-০৯-এর অধীনে রেল, পয়েন্ট-ক্রসিং ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামোসহ ট্র্যাক নির্মাণের কাজ এবং সিপি-১০-এর আওতায় অত্যাধুনিক সিগন্যালিং, টেলিযোগাযোগ (LTE প্রযুক্তি), অটোমেটিক ট্রেন কন্ট্রোলিং ও প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর স্থাপন করা হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক নির্মাণকাজে শ্রম আইন ও সর্বোচ্চ গুণগত মান মেনে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করার কড়া নির্দেশ দেন। সাধারণ মানুষের সাময়িক ভোগান্তি যেন দীর্ঘায়িত না হয় এবং পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়—সে বিষয়ে নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি প্রকল্পের গতিশীলতায় সন্তোষ প্রকাশ করে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।