ঢাকা, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৭

রেলকে নিয়ে ভাবার সময় এসেছে

মো: মোতাহার হোসেন সরকার( স্টাফ রিপোর্টার)।

প্রকাশ: ১৬:৩৫, ৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ১৬:৩৫, ৬ জুন ২০২৬

রেলকে নিয়ে ভাবার সময় এসেছে

আজ শনিবার (০৬ জুন) বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের পাকশি বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মোসাঃ হাসিনা খাতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে রেলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, "আজ সাহস করে চিত্রা (৭৬৩) এক্সপ্রেস ট্রেনে চেকিং করবো বলে উঠেছিলাম। ট্রেনের অবস্থা দেখে আমি শঙ্কিত। রেলকে নিয়ে ভাবার সময় এসে গেছে। এমন ভয়াবহ অবস্থায় চাকরি করা কঠিন।"

তার এই পোস্টে বহু নেটিজেন মন্তব্য করে রেলের বিভিন্ন সমস্যা ও যাত্রীভোগান্তির কথা তুলে ধরেন।

রুবেল আহমেদ নামে একজন মন্তব্য করেন, "রূপসা ও সীমান্ত এক্সপ্রেস সাধারণ যাত্রীদের জন্য যেন নরকযন্ত্রণার নাম। ঈদের সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। আশা করি আপনাদের সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে একদিন এই অঞ্চলের মানুষ বাংলাদেশ রেলওয়ের সুদিন দেখবে।"

কামরুল তুহিন নামে একজন লেখেন, "সহমত পোষণ করছি। একদম যথার্থই বলেছেন ম্যাডাম। রেলওয়েতে চাকরি করা বেশ কষ্টসাধ্য ও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত রেলওয়ে ও কর্মীদের নানা উগ্রতার শিকার হতে হচ্ছে।"

আকরাম খান নামে আরেকজন মন্তব্য করেন, "ঈদের সময় আমাদের রুটে অতিরিক্ত ট্রেন প্রয়োজন। আন্তঃনগর বিশেষ ট্রেন চালু করা হলে ভিড় অনেকটাই কমে আসবে।"

এছাড়াও অসংখ্য যাত্রী ও রেলসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেদের অভিজ্ঞতা ও মতামত শেয়ার করেছেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাধীনতার পর থেকে নানা উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও রেলওয়ে এখনও বহু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ট্রেনের বিলম্ব, ইঞ্জিন ও কোচ সংকট, জনবল ঘাটতি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে যাত্রীচাহিদা থাকা সত্ত্বেও নতুন ট্রেন ও রুট চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

তাদের দাবি, বিগত বছরগুলোতে রেল খাতে বড় বড় বাজেট বরাদ্দ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা যায়নি। ফলে যাত্রীসেবা উন্নয়ন ও রেলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

এ সম্পর্কিত খবর

আরও পড়ুন